গুজব ঠেকাতে সরাসরি যন্ত্র ক্রয়

১০ আগষ্ট, ২০১৯ ১৬:৩৯  
অনলাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গুজব’ ঠেকাতে ‘ভেহিক্যাল মাউন্টেড ডাটা ইন্টারসেপ্টর’ সিস্টেম সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০০ কোটি টাকা দিয়ে সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে এই সিস্টেম কেনা হবে। উন্নত প্রযুক্তির এ ব্যবস্থা কেনার প্রস্তাব গত বুধবার অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা ও সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ৭৬(২) এর উল্লেখিত আর্থিক সীমা শিথিল করাসহ ডিএমপি পদ্ধতিতে ক্রয় প্রস্তাব করা হয়। এর ফলে একই ধরনের দুইটি যন্ত্র যুক্ত হচ্ছে এই কাজে। জানাগেছে, এর আগেও এ ধরনের একটি এনটিএমসি যন্ত্র কেনায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এর প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়, জননিরাপত্তা বিভাগের আওতাধীন ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এর জন্য ১টি ভেহিক্যাল মাউন্টেড ডাটা ইন্টারসেপ্টর ক্রয়ের জন্য রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি কল্পে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য এবং পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ৭৬ (২) এ উল্লেখিত আর্থিক সীমা শিথিল করাসহ ডিএমপি পদ্ধতিতে ক্রয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। ডিএমপি পদ্ধতি ব্যতীত অন্য কোনো পদ্ধতি অনুসরণে পরিচালিত হলে এর গোপনীয়তা বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রস্তাবিত যন্ত্রটি ক্রয়ে আনুমানিক ২০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই যন্ত্রের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা আরও সুসংহত হবে এবং যে কোনো ধরনের নাশকতা দমনের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এই সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মোট এক হাজার ২৮০ কোটি টাকার চারটি ক্রয়প্রস্তাবও অনুমোদন দেয়া হয়। এরমধ্যে দুই বছর মেয়াদে বিআরটিএ'র ঢাকা মেট্রো সার্কেল ১,২ ও ৩ (মিরপুর, ইকুরিয়া ও উত্তরা) এর মোটরযান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ডিজিটালাইজ করে আর্কাইভ আকারে সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা সিস্টেম সার্ভিস তৎক্ষণাৎ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২৮ কোটি ৫ লাখ ৮১ হাজার ৭২২ টাকা। সার্ভিস প্রোভাইডার ও ভেন্ডার নির্বাচনের জন্য এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট (ইওল) পরপর দুবার আহ্বান করলে ১৬টি আবেদন পাওয়া যায়। প্রস্তাব মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক সুপারিশ করা একমাত্র যোগ্যতা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেড (সিএনএস)। বাস্তবায়নকারী সংস্থা হলো বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।